বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
৯ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, একই শ্মশানে পাশাপাশি চিতা বকশীগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ! পঞ্চগড় পৌরসভায় ২৭টি ডাস্টবিন বিতরণ তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ, পঞ্চগড়ে ক্ষুব্ধ সংবাদকর্মীরা পঞ্চগড়ে সুইসগেট ভাঙার এক বছরেও হয়নি সেতু, দুর্ভোগে হাজার হাজার মানুষ নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান শিবরাম স্কুলের নুহা বকশীগঞ্জ সীমান্তে ৫৬৭ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দবকশীগঞ্জ সীমান্তে ৫৬৭ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দ লালমনিরহাটে থ্যালাসেমিয়া ও ক্যান্সার রোগীদের আজীবন ফ্রি রক্ত দেবে ‘বিডিএসএল’ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী সদস্য সংগ্রহ করছে ‘রক্তদাতা যুব সেবা কল্যাণ সংগঠন’ লালমনিরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৫ জন নিহত, আহত ৩
অফিসে বসে বিতর্কিত লেনদেন, টাঙ্গাইলের এডিসির ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তোলপাড়

অফিসে বসে বিতর্কিত লেনদেন, টাঙ্গাইলের এডিসির ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তোলপাড়

ডেস্ক রিপোর্ট :: নিজ সরকারি কার্যালয়ে বসে মদ কেনার টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত নিজ কক্ষে বসেই মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করে কেরু অ্যান্ড কোম্পানির মদ কেনার জন্য অন্য একজনের হাতে তুলে দিচ্ছেন।


এ ঘটনা সামনে আসতেই পুরো জেলাজুড়ে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। প্রকাশিত ভিডিওতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সঞ্জয় কুমার মহন্তকে তার কার্যালয়ে বসে কেরুসহ বিভিন্ন ব্যান্ডের মদ সম্পর্কে আলোচনা করতে দেখা যায়। আলোচনার একপর্যায়ে তিনি নিজের মানিব্যাগ থেকে তিন হাজার টাকা বের করে মদ কেনার উদ্দেশ্যে কারও হাতে তুলে দেন।

কেবল কার্যালয়ে মদের টাকা লেনদেনই নয়, এই সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত মাদক সেবনের গুরুতর অভিযোগও রয়েছে।

জেলা প্রশাসনের নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কর্মচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সঞ্জয় কুমার মহন্তের মতো একজন পদস্থ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা কীভাবে তার কক্ষে বসে মদ কেনার জন্য টাকা দিতে পারেন, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কর্মচারীরা আরও অভিযোগ করেন, মদ লেনদেনের পাশাপাশি আর্থিক অনিয়মের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন তিনি। সম্প্রতি টাঙ্গাইল পৌরসভার কয়েকজন ঠিকাদার কোনো কাজ না করেই বিল নেওয়ার জন্য এই কর্মকর্তাকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েছেন বলে দাবি করেন তারা।

এদিকে ভিডিও ভাইরাল ও নানা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে অভিযুক্ত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্যদিকে, এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মোবাইল ফোনে বারবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com